Category: India Updates

ভারতের জনগণনা 2027 শুরু হচ্ছে আজ থেকে: সম্পূর্ণ অনলাইন পদ্ধতিতে ঘরে বসেই করুন নিজের Cencus Data Update, সম্পূর্ণ পদ্ধতি

ভারতের জনগণনা 2027 শুরু হচ্ছে আজ: সম্পূর্ণ অনলাইন পদ্ধতিতে ঘরে বসেই করুন নিজের Cencus Data Update ভারতের জনগণনা 2027 অর্থাৎ Cencus 2027 এর প্রথম ধাপ শুরু হচ্ছে আজ 1 August থেকে। এবার প্রথমবারের মতো জনসাধারণকে self enumeration (SE) এর মাধ্যমে নিজের বাড়ির জনগণনা ও তথ্য নিজেই অনলাইনে বসে জমা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। Self enumeration (SE) কি?Self enumeration হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে ভারতের অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের যে কোন ব্যক্তি পরিবারের যে কোন সদস্য তার পরিবারের সমস্ত তথ্য পূরণবাচ জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। এই সমস্ত কাজ তিনি নিজের বাড়িতে বসে কম্পিউটারের মাধ্যমে বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। এই পদ্ধতি শুরু হচ্ছে আজ ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে এবং এই প্রক্রিয়া চলবে ১৫ ই আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। কিভাবে অনলাইনে তথ্য জমা দেবেন?এই তথ্য সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে হবে। এই তথ্য জমা দেওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে google সার্চ এ গিয়ে se.census.gov.in লিখে সরাসরি self enumeration পোর্টালে প্রবেশ করুন। এরপর ধাপে ধাপে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে তথ্য আপনাকে পূরণ করতে হবে এবং শেষে গিয়ে সাবমিট করতে হবে। এ বিষয়ে ধাব গুলি নিচে দেওয়া হল। তথ্য জমা দেওয়ার পর কি করবেন?অনলাইনে সফল হবে তথ্য জমা দেওয়ার পরে সেখান থেকে আপনি পাবেন একটি আইডি অর্থাৎ তৈরি হবে আপনার self enumeration ID (SE ID)এই আইডি অবশ্যই নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখুন। যদি আপনি নিজেই বাড়িতে বসে করছেন তাহলে স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন বা কোন অনলাইন সেন্টারে গিয়ে করে থাকলে সেখান থেকে একটা প্রিন্ট নিয়ে রাখুন। পরবর্তীকালে গণনাকারী অর্থাৎ enumerator যখন আপনার বাড়িতে যাবেন তখন তাকে এই আইডিটি দেখাবেন বা জানাবেন। তথ্য ভুল হলে কি সমস্যা হবে?না কোন সমস্যা হবে না। অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পরে যদি কোন ভুল ধরা পড়ে বা আপনি ভুল করে ফেলেন তাহলে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। পরবর্তী সময়ে সেই তথ্যকে সংশোধন করার সুযোগ দেওয়া হবে। সে বিষয়ে এখনো সম্পূর্ণ কিছু জানানো হয়নি তবে সেই সংশোধন আপনি নিজেও করতে পারবেন বা আপনার পঞ্চায়েত মিউনিসিপ্যালিটি সেই তথ্য সংশোধন করে দিতে পারবে। যে যে অনলাইনে তথ্য দিতে পারবেন নাযেসব ব্যক্তিরা নিজেরা অনলাইনে self enumeration করতে পারবেন না তাদের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। ১৬ আগস্ট এর পর থেকে জনগণনা কারীরা সরকারি আদেশ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার গ্রামে গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারি জনগণনার তথ্য সংগ্রহ করবেন। প্রয়োজনে সেই মুহূর্তেও তথ্য সংশোধন করা হবে। কি কি নথি লাগবে?জনগণনার জন্য সাধারণত লাগবে আপনার ফোন নাম্বার যেটি আধারের সাথে লিংক করা আছে, পরিবার পিছু একটি মোবাইল নাম্বার। একটি ইমেইল আইডি। এগুলো প্রাথমিক জিনিস এগুলো তো লাগবেই। Note: জনগণনা জন্য সাধারণভাবে আপনার কাছ থেকে আপনার আধার নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এ ধরনের আর্থিক তথ্য চাওয়া হবে না।তাই এই ধরনের তথ্য যেগুলো খুবই সংবেদনশীল সে তথ্য কারো সাথে শেয়ার করবেন না। জনগণনার সাথে সরকারি প্রকল্পের কি কোন সম্পর্ক আছে? পশ্চিমবঙ্গবাসীর অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে জনগণনার দেওয়া তথ্য অন্নপূর্ণা যোজনা আয়ুষ্মান ভারত যুবশক্তি বা অন্যান্য সরকারি সুবিধার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে কি না। এর সরাসরি উত্তর হলো না, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সাথে জনগণনার কোনরকম সংযোগ নেই। জনগণনা তথ্য শুধুমাত্র জনগণনার উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হবে। এটির সাথে এমন কোন সম্পর্ক নেই যা আপনাকে সুবিধা বা অসুবিধায় ফেলবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি হলো 1. ১ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে self enumeration 2. আগামী ১৫ ই আগস্ট পর্যন্ত অনলাইন নিয়ে তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে 3. জমা দেওয়ার পরে আপনি আপনার SE ID সংগ্রহ করে রাখবেন 4. 16 ই আগস্ট থেকে জনগণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই SE ID আপনার থেকে সংগ্রহ করবেন 5. ভুল তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে 6. অনলাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার আগে নিজের কাছে রাখুন আপনার মোবাইল নাম্বার এবং মেইল আইডি7. জনগণনার সাথে পশ্চিমবঙ্গের কোনরকম কোন সরকারি প্রকল্পের অর্থাৎ অন্নপূর্ণা যোজনা আয়ুষ্মান ভারত বা অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের সাথে কোন রকম কোন সরাসরি সম্পর্ক নেই যে যে বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে OTP কাউকে বলবেন না *  সরকারি অনুমতি ছাড়া আধার নম্বর বা ব্যাংক একাউন্টের তথ্য কারো সাথে শেয়ার করবেন না * শুধুমাত্র সরকারি সেন্সাস পোর্টালটি ব্যবহার করুন

Modi WFH Gold Buying News Vs Rahul Gandhi- সোনা কিনতে বারন করলেন প্রধানমন্ত্রী! তীব্র কটাক্ষ রাহুল গান্ধীর?

“সোনা কিনবেন না, বিদেশে ভ্রমন কম করুন” মোদীর এই বক্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধী। Modi WFH Gold Buying News Vs Rahul Gandhi- সোনা কিনতে বারন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! WFH তীব্র কটাক্ষ করলেন রাহুল গান্ধীঃ পেট্রোল চালিত গাড়ি ব্যবহার করবেন না সোনা কিনবেন না ওয়াক ফ্রম হোম (Work From Home) করুন বললেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বার্তাকে ব্যর্থতার প্রমাণ বললেন বিরোধী মন্ত্রী রাহুল গান্ধী। আসলে কি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র তাক? কেনই বা বলেছেন? পেট্রোল ডিজেল (Petrol Diesel) গাড়ি ব্যবহার কমান, সোনা (Gold) কিনবেন না WORK FROM HOME করুন সম্প্রতি ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরের এক বিজেপি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক পরামর্শ দেন। তিনি বলেন বর্তমানে আমাদের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ এবং পশ্চিম এশিয়াতে দেশগুলির সংঘাতের কারণে আমাদের দেশের অর্থাৎ ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার উপর প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবে সাধারণ মানুষকে এখন থেকেই টাকা বাঁচানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।  প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জনগণকে বলেছেন যারা সোনা কেনেন তারা কিছুদিনের জন্য সোনা কেনা বন্ধ রাখুন, বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রাখুন, ডিজেল পেট্রোল এর ব্যবহার কমান (Less use of petrol diesel vehicle) দরকার হলে ইলেকট্রিক হয়ে গেলে ব্যবহার করুন এবং ওয়াক ফ্রম হোম (WHF- Work From Home) পদ্ধতি আবার চালু করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। যেমন লকডাউনে ওয়াক ফ্রম করাতে পাবলিকের যেমন খরচা কমতো ঠিক সরকারেরও খরচা কমতো। সেজন্য তিনি WHF করার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী কেন ডব্লিউ এফ এইচ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম (Work from home) এর কথা বলেছেন (Economic crisis in India) প্রধানমন্ত্রী বলেন ২০২০ সালে করোনা মহামারী সময় দেশবাসীকে ওয়াক ফ্রম হোম, ভিডিও কনফারেন্সিং কল , ভার্চুয়াল মিটিং এর মত পদ্ধতির জন্য বলা হয়েছিল। পাবলিক ব্যবহার করাতে সেটাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল সেই অভ্যাস আবার ফিরে আনলে জ্বালানি খরচ যেমন কমবে ঠিক সেইরকম বিদেশী মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। প্রধানমন্ত্রীর মতে বর্তমানে বিশ্বের সংকটের সময় দেশের অর্থনীতি রক্ষা করার জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সেগুলিতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ করাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। রাহুল গান্ধী এই কথার বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই বক্তব্যের পরেই এক বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেন কংগ্রেস নেতা অর্থাৎ বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X অর্থাৎ টুইটারে পোস্ট করে তিনি বলেন আসলে এটা হল সরকারের একটা অর্থনৈতিক ব্যর্থতার প্রমাণ। বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্য অনুযায়ী জনগণকে এখন বলা হচ্ছে কি কিনবে কি কিনবে না কোথায় যাবে কোথায় যাবে না কতটা খরচা করবে কতটা খরচা করবে না বরং এটা সরকারের ব্যর্থতার একটি বড় প্রতিচ্ছবি। জনগণের ওপরে দায় চাপিয়ে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। অভিযোগ রাহুল গান্ধীর।  উনি আরও দাবি করে বলেন গত 12 বছরে আমাদের কেন্দ্র সরকার দেশের অর্থনীতির অবস্থানকে এমন জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন যেখানে সাধারণ মানুষ কে ব্যক্তিগত খরচের জন্যও সরকারকে পরামর্শ দিতে হচ্ছে। রাহুল গান্ধীর মতে আমাদের বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার অর্থনীতির কোন ভালো অবস্থায় দেখাতে পারেননি দিনের পর দিন অর্থনৈতিক অবস্থার নিচে নামছে এবং দেশের সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। তার অভিযোগ সরকার এখন নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। দিনের পর দিন জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে, জ্বালানি দাম বাড়ছ, নৃত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে এইসব খরচ বাড়ানোর পরও সাধারণ মানুষকে আরো সাশ্রয়ের কথা বলা হচ্ছে। কি কি বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi latest statement) প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে কয়েকটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য জানান যেমনঃ ১) আগামী এক বছরের জন্য সোনা কেনা বারণ ২) বিদেশে ভ্রমণ কমাতে বলেছেন ৩) পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমাতে বলেছেন ব্যবহার করতে বলেছেন সাইকেলের ব্যবহার করতে বলেছেন মেট্রো, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বেশি ব্যবহার করতে বলেছেন 8) রাসায়নিক সার ব্যবহার কমাতে বলেছেন এবং ভোজ্য তেলের ব্যবহার কমাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর মতে এই পদক্ষেপ গুলি ভারতবর্ষের বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে ভারতের অর্থনীতিতে দাম বাড়ছে কেন (Indian Rupee Fall) বিশেষজ্ঞদের মতে এশিয়ার পশ্চিমের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে রাসায়নিক সার সারের দাম দ্রুত বেড়েছে এবং অপরিচিত তেলের প্রাচুর্য যেমন কমেছে সে রকম দামও বেড়েছে। ভারত যেহেতু বড় মাপের পরিমাণে জ্বালানি কেনে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তাই এর সরাসরি প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেই পড়ছে। ভারতীয় মুদ্রার এক বিশেষ পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। দিনের পর দিন এবং ভারতীয় মুদ্রার মূল্য কমছে। এখন 1 Dollar= 95.57 টাকা। ডলার শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে সেজন্য দেশের আমদানি খরচও বাড়ছে সে কারণে বৈদেশিক মুদ্রার উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বিজেপি নেতা এবং পার্টির পাল্টা দাবি কি (BJP party reaction) নেতাদের দাবি মোদীজি দেশের স্বার্থে জনগণকে সচেতন হতে অনুরোধ করেছেন। বিশ্বের অর্থনৈতিক সংকটের সময় ভারতের প্রত্যেক নাগরিকের উচিত বিলাসবহুল খরচ কমিয়ে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় খরচ করা। যেভাবে একসঙ্গে লড়াই করেছিল ঠিক সেই রকমই বর্তমানে অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সমস্ত জনগণকে একসাথে সাহায্য করতে হবে তাতে দেশের সংকট অবস্থা কমবে। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু (Political controversy)  হায়দ্রাবাদের মিটিংয়ে মোদীজি বলেছেন WFH (ডব্লিউ এফ এইচ) করুন অর্থাৎ ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে বলেছেন, সোনা কিনবেন না, বিদেশে যাওয়া কমান এমন মন্তব্য সামনে আসার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন ইউটিউব্‌ ফেসবুকে, ইনস্টাগ্রাম্‌ এক্সে X twitter এ ব্যাপক বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা, আবার কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতার জন্য ব্যর্থতার বিশেষ স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখছেন নেটিজেন’রা।   পপুলার ইউটিউবার Dhruv Rathi এই বিষয়টিকে নিয়ে শর্ট ভিডিও বানিয়ে সমালোচনা করেছেন। বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে বিদেশে যাচ্ছেন, প্লেন শো দেখছেন সেগুলো ঠিক আছে কিন্তু জনগণকে তিনি কেন এমন আদেশ দিচ্ছেন। জনগণ এটা মেনে নিলেও রাহুল গান্ধীর সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশেষ প্রতিক্রিয়ার পর রাজনৈতিক মহলে এই বিতর্ক আরো তীব্র থেকে তীব্রত হতে চলেছে। এবার কি হবে নেটিজেন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আগামী দিনে এই সমস্যা আরও বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হবে বলে মনে করছেন। একদিকে মোদি সরকার অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার এটিকে অর্থনৈতিক সাশ্রয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু অন্যদিকে বিরোধীরা এটিকে সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবেই তুলে ধরছেন।  এশিয়ার পশ্চিমের এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক লেভেলে পেট্রো পণ্যের দাম এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে আগামী দিনের জন্য ভাল সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। করনার যেমন সময় সাধারণ মানুষ দেশের পাশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী পাশে ছিলেন আশা করা যায় এই সমস্যার সময়ে জনগণও দেশের হয়ে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করার চেষ্টা করবেন এমন মনে করছেন নেটিজেন’রা। Other Resources of this News: আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বিস্তারিত