Tag: annapurna vandar

Annapurna Yojana Online Apply: শেষমেষ প্রকাশিত হলো অন্নপূর্ণা যোজনা সরকারি বিজ্ঞপ্তি। ১ জুন থেকেই পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার।  জেনেনিন এর নিয়ম ও আবেদন পদ্ধতি।

Annapurna Yojana Online Apply: শেষমেষ প্রকাশিত হলো অন্নপূর্ণা যোজনা সরকারি বিজ্ঞপ্তি। ১ জুন থেকেই পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। জেনেনিন এর নিয়ম ও আবেদন পদ্ধতি।  জেনেনিন Annapurna Yojana Online Apply কি করে করবেন!  শেষমেষ প্রকাশিত হলো অন্নপূর্ণা যোজনা সরকারি বিজ্ঞপ্তি। ১ জুন থেকেই পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার।  Annapurna Yojana Online Apply নবান্নে বৈঠকের পর অবশেষে রাজ্য সরকার প্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা যোজনা অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া আছে কারা কারা পাবেন মাসিক তিন হাজার টাকা।  অন্নপূর্ণা যোজনা নামে এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্য পাবে ৩০০০ টাকা। সম্প্রতি নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানিয়েছেন মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পাল।    এখানে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে এই প্রকল্প বাংলার বুকে কার্যকর হবে।    সাধারণ মানুষের প্রশ্নের উত্তর এই বিজ্ঞপ্তিতে সুন্দরভাবে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের আলোচ্য বিষয় হলো   কোন কোন মহিলারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনা বা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার?  অন্নপূর্ণা যোজনা বা ভান্ডারে টাকা কিভাবে ব্যাংকে পৌঁছাবে? DBT লিংক কি?  কিভাবে অন্নপূর্ণা যোজনার স্ট্যাটাস চেক হবে?  যারা লক্ষীর ভান্ডার পেতেন তারা কি সবাই অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবেন?  যারা এতদিন লোকের ভান্ডার পাননি তারাও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার কিভাবে পাবেন? ভুয়া মৃত ব্যক্তিদের যাচাই প্রক্রিয়া কিভাবে হবে? অন্নপূর্ণা যোজনার স্ট্যাটাস চেক করার জন্য সরকারি পোর্টালটি হল (Annapurna Yojana Govt. Official Link) Click Here to Check Status of Annapurna Yojana কোন কোন মহিলারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনা বা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার? সরকারের কিছু নির্দিষ্ট শর্তানুসারে এ প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। আজকের এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনকারী মহিলার বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।  কোন স্থায়ী বা অস্থায়ী সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত থাকলে তিনি সুবিধা পাবেন না। কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের অধীনস্থ জন পঞ্চায়েত পৌরসভা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মহিলারা এ প্রকল্পের আওতায় আসবেন না।  যারা আয়কর প্রদান করেন তারাও এই প্রকল্পে সুবিধা পাবেন না।  মূলত গরিব শ্রেণীর মহিলাদের কথা ভেবেই এ প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে।  অন্নপূর্ণা যোজনা বা ভান্ডারে টাকা কিভাবে ব্যাংকে পৌঁছাবে?  অন্নপূর্ণা যোজনা বা ভান্ডারের টাকা সরাসরি সরকারি তহবিল থেকে উপভোক্তার একাউন্টে ডিভিডি অর্থাৎ ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার পদ্ধতির মাধ্যমে পৌঁছাবে। DBT লিংক কি?  ডিভিডি লিংক হল এমন একটি মাধ্যম যেখানে আঁধার কার্ড এবং ব্যাংক একাউন্ট একসাথে যুক্ত হয়ে থাকবে। এই ডিভিডি লিংক চেক করার জন্য আপনাকে এন পি সি আই এর ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করতে হবে   কিভাবে অন্নপূর্ণা যোজনার স্ট্যাটাস চেক হবে?  এই অন্নপূর্ণা যোজনা স্ট্যাটাস চেক করার জন্য সরকার পক্ষ থেকে এক্টিন নতুন পোর্টাল খোলা হয়েছে তার লিংক নিচে দেওয়া হল   যারা লক্ষীর ভান্ডার পেতেন তারা কি সবাই অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবেন?  যারা যারা লোখে ভান্ডার পেতেন তারা তারা সবাই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। কিন্তু যেই ব্যক্তিরা মৃত বলে ঘোষণা হয়েছে বা ২০২৫-২৬ এস আই আরে অনুপস্থিত ছিলেন বা নাম বাদ গেছে তারা এই সুবিধা পাবেন না।  যারা এতদিন লোকের ভান্ডার পাননি তারাও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার কিভাবে পাবেন?  যারা এতদিন লক্ষ্যের ভান্ডার পাননি তাদের জন্য নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। সেই আবেদন প্রক্রিয়া সরকার পক্ষ থেকে নতুন পোর্টাল খুলে সেখানেই গ্রহণ করা হবে। ভুয়া মৃত ব্যক্তিদের যাচাই প্রক্রিয়া কিভাবে হবে?  সরকারি অফিসারদের সাহায্যে বুয়া বা মৃত ব্যক্তিদের যাচাই করা হবে। গ্রামগঞ্জে এর বিচার করবে ভিডিও অফিসার এবং শহরাঞ্চলে করবে এসডিও অফিসার। পুরো খবর সংক্ষেপে: পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষীর ভান্ডারের নাম বদলে নতুন যে প্রকল্প চালু করেছেন তার নাম হলো অন্নপূর্ণা যোজনা। যেটি কে সাধারণ মানুষ বলছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলারা পাবেন প্রতি মাসে তিন হাজার (3000/-) টাকার আর্থিক সাহায্য। অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কার্যকর হবে 1 জুন 2026 থেকে। এই প্রকল্পের জন্য সুবিধাভোগী মহিলাদের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। সরকারি চাকরিজীবী পেনশনপ্রাপ্ত বা আয়কর প্রদানকারী মহিলারা এই প্রকল্পের বাইরে থাকবেন। তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। টাকা কোন মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে আসবেনা টাকা সরাসরি আধার সংযুক্ত ব্যাংক একাউন্টে DBT মাধ্যমে সরকার পক্ষ থেকে উপভোক্তার কাছে পাঠানো হবে। বর্তমানে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের উপভক্তদের অন্নপূর্ণা যোজনার প্রকল্পে স্থানান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মৃত বা স্থানান্তরিত বা 2025-2026 এ SIR এ যারা মৃত বা নাম বাতিল করে গণ্য করা হয়েছে তারা এই প্রকল্পের কোনরকম সুবিধা পাবে না। যারা এতদিন লক্ষীর ভান্ডারের সুবিধা পান নেই তাদের জন্য সরকার পক্ষ থেকে নতুন একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। গ্রাম্য এলাকায় এই প্রকল্পের যাচাই করবেন BDO এবং শহর এলাকায় SDO West Bengal Gram Panchayet Recruitment 2026

Breaking News: রাজ্য সরকারের ৬ টি বড় সিদ্ধান্ত! চালু হচ্ছে বিনামূল্যে বাস থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার(annapurna vandar)!

ভান্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে পরিবর্তন (Annapurna vandar is replaced by Lakkhir vandar) Breaking News: রাজ্য সরকারের ৬ টি বড় সিদ্ধান্ত! চালু হচ্ছে বিনামূল্যে বাস থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার(annapurna vandar)! নবান্নের দ্বিতীয় বৈঠকে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন যে ১ লা জুন থেকে শুরু হতে চলেছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। আরো ঘোষণা করেন যে নারী কল্যাণের জন্য ও সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো এবং ওবিসি সংরক্ষণ সাথে সামাজিক সহায়তা প্রকল্প এবং সরকারি ব্যয় সংকোচনের নানান দেখে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে 6 টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সোমবার অনুষ্ঠিত নবান্ন বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয়। রাজ্য সরকারের ৬ টি বড় সিদ্ধান্ত! চালু হচ্ছে বিনামূল্যে বাস থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার(annapurna vandar), মহিলাদের বিনামূল্যে বাস (Free bus service for woman in west bengal), সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission of west bengal), সংরক্ষণ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত (Correction of OBC reservation in west bengal), ভান্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে পরিবর্তন (Annapurna vandar is replaced by Lakkhir vandar) এই বৈঠকে সবচেয়ে বেশি আলোচ্য বিষয় যেটা উঠে এসেছে সেটা হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সমস্ত মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবা এবং সপ্তম পে কমিশন। এই বৈঠকে যেমন নতুন প্রকল্প চালু করার কথা হয়েছে ঠিক সে রকম কিছু পুরোনো প্রকল্প বন্ধ করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর রাজ্যের প্রশাসনিক ও সামাজিক কাঠামোর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি পরিবর্তনের জন্যই এমন বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য।  ১. মহিলাদের বিনামূল্যে বাস (Free bus service for woman in west bengal)  আগামী মাসে অর্থাৎ একজন থেকে রাজ্যে সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াতের সুবিধে চালু করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগে মহিলা নিরাপত্তা এবং স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ বলে মানা হচ্ছে। এই বিনামূল্যেবাস পরিষেবা শুধুমাত্র রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বেসরকারি বাসের ক্ষেত্রে এই পরিষেবা প্রযোজ্য হবে না।  মহিলা শ্রেণীকে সমাজের সামনে স্তরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।  যান পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে এই প্রকল্পকে ভালোভাবে কার্যকরী করতে হলে বাস পরিষেবার পরিকাঠামো যেমন উন্নতি করতে হবে ঠিক সেরকম অতিরিক্ত ভোটযোগেরও প্রয়োজন হবে। বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করলে যাত্রী সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে প্রয়োজন হলে নতুন বাস এবং ডিজিটাল টিকিটের ব্যবস্থা চালু করার কথা ভাবছে সরকার।   এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী পক্ষের মধ্যে জোড় আলোচনা শুরু হয়েছে।  ২. অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Vandar)  নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পাল মহাশয়া জানিয়েছেন যে, পহেলা জুন থেকেই সবাই পাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। যারা যারা লক্ষ্মীর  ভান্ডার পেতেন তারা তারা সবাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন। অনন্যা ভান্ডার এবং লক্ষীর ভান্ডার এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র নামের ও ছবির।  সরকারের দাবি এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারের মহিলাদের খাদ্য এবং আর্থিক সহায়তা ও নিশ্চিত করার উদ্যোগ বলে ধরা হয়েছে।   প্রকল্প এবং সরকারি সূত্রের খবর, এই প্রকল্পের জন্য বিশেষ করে রাজ্যের গ্রামবাসীদের এলাকার মহিলাদের গুরুত্ব দেয়া হবে। খুব শীঘ্রই জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন সুরক্ষার প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত পারিবারিক মহিলাদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।  সাধারণ মানুষের মতে বর্তমানে মূল্য বৃদ্ধির বাজারে এই প্রকল্প সাধারণ মানুষকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে। এটি সরকারের একটা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ।   ৩. সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission of west bengal)  রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর বিবেচনা ও গঠনের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  দীর্ঘকাল ধরে সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন নতুন পেয়ে কমিশনের যে দাবী জানিয়েছিল তারই ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।  সরকার মারফত সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে, সপ্তম পে কমিশন গঠনের পর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। তারা রাজ্যের বর্তমান মূল্য বৃদ্ধি কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন কাঠামো ও রাজ্যের আর্থিক অবস্থা আলোচনা করে সুপারিশ জমা দেবে সরকারের কাছে।  সরকারি কর্মচারী দের সংগঠনগুলির মতে, এই সিদ্ধান্ত কর্মচারীদের স্বস্তি দেবে এবং কাজ করতে উৎসাহিত করবে। তবে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন নতুন পে কমিশন কার্যকরী হলে রাজ্যের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ৪. কিছু সরকারি প্রকল্প বন্ধ  শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে যেসব সরকারই প্রকল্প গুলি চালু আছে ওগুলোকে বন্ধ করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটাই প্রকল্প চালু হবে জানা যাচ্ছে তার নাম স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ।  তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর অধীনে কিছু প্রকল্প আগামী মাস থেকে বন্ধ করার অর্ডার দিয়েছে সরকার। সরকারি মতে এসব প্রকল্পগুলি থেকে উপযুক্ত স্বচ্ছতা বা কোনরকম পর্যাপ্ত ফল পাওয়া যাচ্ছে না সেগুলিকে বন্ধ করা হবে আগামী মাস থেকে।  এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিশাল বিতর্কের ঝড় শুরু হয়েছে। বিরোধীপক্ষের অভিযোগ দরকার আর্থিক সংকট মেটানোর জন্য একের পর এক সমস্ত প্রকল্প বন্ধ করছে। সরকারপক্ষের দাবি জনস্বার্থে অর্থ ব্যয় পুনর্ববিন্যাস করার লক্ষ্যই হলো এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।  ৫. সংরক্ষণ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত (Correction of OBC reservation in west bengal)  সরকারি শত্রু থেকে জানা যাচ্ছে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করার মাধ্যমে সামাজিক ও আর্থিক তথ্য ও বিভাজনের ভিত্তিতে নতুন সংরক্ষণ তালিকা তৈরি হতে পারে। বিরোধী পক্ষের দাবি সংরক্ষণ কে ঘিরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চালিত আর্থ করার জন্য আদিকাল ধরে রাজনেতারা এসব কার্যকলাপ করে আছে। যদি সরকারি পক্ষের বক্তব্য আদালতের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনে পদক্ষেপ নেয়া হবে।  আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে আদালতের পর্যবেক্ষণের পর সরকার নতুনভাবে সার্ভে করে তথ্য সংগ্রহ করবে। এরপরে সংরক্ষণে এক বিশাল বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বাতিল করা হতে পারে।  হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত তালিকা এবং শংকর সংরক্ষণের হার নতুন করে বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ৬. ভান্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে পরিবর্তন (Annapurna vandar is replaced by Lakkhir vandar) সরকার সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আগে যারা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প এর সুবিধা পেতেন তারা সবাই অন্নপূর্ণা ভান্ডার এর সুবিধা পাবেন।  নতুন ব্যবস্থাই সরাসরি dbt এর মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। যারা এখনো এই সুবিধা পাননি তাদের জন্য শীঘ্রই একটা নতুন অনলাইন ওয়েবসাইট বা পোর্টাল চালু করা হবে।  এই বৈঠকে এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা। একদিকে যেমন নারী কল্যাণ ও কর্মচারীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ঠিকই অন্যদিকে অর্থ ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনেরও ইতিবাচক চিন্তা স্পষ্ট হয়েছে।  এখন সাধারণ মানুষের নজর থাকবে এই সিদ্ধান্তগুলো কত দ্রুতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের উপর তার কতটা প্রকৃত প্রভাব পড়ছে।  ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু হওয়ার পর থেকে Annapurna vandar status check করতে পারবেন।  যুবশক্তি ভরসা কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন আজকের বৈঠকে কী বললেন মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পাল

নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তঃ সবাই পাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Vandar)! তৃণমূলের কোন প্রকল্প’ই বন্ধ করছে না নয়া পশ্চিমবঙ্গ সরকার। চলবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ও?

নবান্নে প্রথম কর্মসূচীর বৈঠক করলেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারি পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার আজকে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করলেন! সামনে আনলেন একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের জনগণ বাংলার নতুন স্কিম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna vandar) নিয়ে খুব উতসাহিত। তাই দেরি না করে রাজ্য সরকার ঘোষণা করলেন নতুন কিছু কর্মসূচি। খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে Annapurna vandar এর offline and online of pd form সাথে Status চেকিং। সাম্প্রতিক পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাস পরিবর্তনের নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে তখনই নবান্নে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা প্রশাসনিক সংস্কার এবং সীমান্তবর্তী ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা সামনে আনলেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।  পুরো রাজ্য অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কাঠামোতে বড়সড় মূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলে দিলেন যে নতুন সরকার হলো স্বচ্ছতা তথ্য ভিত্তিক শাসন এবং আইনি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের মূল ভিত্তি।  পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার বিজেপি সরকার রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তনের সাথে সাথে আজকে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করলেন এবং একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশ সামনে আনলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প ও সরকারি পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন পশ্চিমবঙ্গ এর মুখ্যমন্ত্রী অধিকারী মহাশয় বৈঠক করেন।  পুরনো সমস্ত প্রকল্প গুলোর বদলে ইঙ্গিত বাংলা নতুন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় ওনার বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অংশটি তুলে ধরেছেন সেটি হল সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প। উনি জানিয়েছেন যে সমস্ত প্রকল্পগুলো পশ্চিমবঙ্গে আদিকাল ধরে চলে আসছে সে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গুলোকে বন্ধ করা হবে না। মানুষের স্বার্থে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্প গুলো চলবে। হ্যাঁ, তবে সেগুলো যারা পাওয়ার যোগ্য তারা অবশ্যই পাবে।  কোন প্রকল্পের কোন নাম পরিবর্তন হবে না শুধুমাত্র প্রকল্প গুলোর পোর্টাল থেকে পূর্ববর্তী মুখ্যমন্ত্রীর অর্থাৎ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিগুলো সরানো হবে পরিবর্তে পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া হতে পারে। আজকে নবান্নে এই ঘোষণার পরেই বাংলার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ দীর্ঘকাল ধরেই পশ্চিমবঙ্গের অর্থ বাংলার বিভিন্ন প্রকল্প যেমন স্বাস্থ্য সাথী, লক্ষীর ভান্ডা্‌ কন্যাশ্রী, রূপশ্র্‌ ইত্যাদি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার জন্য সহায়তা প্রকল্প এবং খাদ্য সাথি নিয়ে নানান রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।  তিনি আরও জানান ভবিষ্যতে সমস্ত প্রকল্পগুলোকে ডিজিটাল ভাবে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হতে পারে এবং উপভোক্তার সমস্ত তথ্য সরাসরি যাচাই করা হতে পারে। এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থাৎ মোদি সরকারের ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) Direct Beneficiary Transfer মডেল অনুসরণ করার পরিকল্পনা সামনে এনেছেন।  মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর টাকা সরাসরি সেই ব্যক্তির একাউন্টে পৌঁছালে মধ্যবর্তীর ভূমিকা কমবে এবং বাংলার দুর্নীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।  ভুয়ো বা জালি উপভোক্তাদের চিহ্নিতকরণে বিশেষ ব্যবস্থা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় এদিন প্রশাসনিক দুর্বলতা নিয়েও নানান প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন যে বর্তমানে বাংলার বহু মৃত ব্যক্তি বা অযোগ্য ব্যক্তি নানান ভাবে সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন যা প্রশাসনিক ব্যবস্থার ব্যর্থতার অন্যতম দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন খুব তাড়াতাড়ি সব সরকারি প্রকল্পের ডাটা গুলো পুনরায় যাচাই করা হবে ডিজিটাল ভেরিফিকেশন আধার লিং ও বর্তমানে নিয়মিত তথ্য আপডেট এর মাধ্যমে আসল উপভোক্তাদের সনাক্ত করার জন্য কঠোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন খবর সূত্রে অর্থাৎ বিশেষ করে প্রশাসনিক সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে নতুন করে ব্লক ও জেলা লেভেলের বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে।  যদি সত্যিই এরকম ব্যবস্থা হয় তাহলে সঠিকভাবে আসল উপভোক্তা রায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সাহায্য পাবেন এবং দুর্নীতি বন্ধ করে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির পথ সুগম হবে।  নতুন মুখ্যমন্ত্রী এ কথাও জানান, সব ভারতীয় নাগরিকদের সব রকম সুবিধা দেওয়া হবে না, যারা যোগ্য তারাই সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাবেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে দীর্ঘকাল ধরে অনুপ্রবেশ নিয়ে আলোচনা চলে। খবর আসছে যে ভবিষ্যতে বাংলার নতুন কোন সরকারি প্রকল্পে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরো কঠিন থেকে কঠিনতম হতে পারে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনিক পদ্ধতির ও সমালোচনা করেছেন এবং ওনার বক্তব্য এই যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সরকার চলতে পারে না। পরিসংখ্যান তথ্য এবং ভারতীয় সংবিধানের নিয়ম মেনেই রাজ্যের প্রশাসন পরিচালনা করতে হবে। তিনি আরো জানান যে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশেষ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আসয় নিয়ে আলোচনা হবে তার মধ্যে কয়েকটি নিচে দেওয়া হলঃ   ১) মহিলাদের নিরাপত্তা ২) সরকারি কর্মীদের বকেয়া দিয়ে প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি নতুন 7 পে কমিশন ৩) ডিজিটাল গভর্নেন্স 8) সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নিয়োগের স্বচ্ছতা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তায় ৪৫ দিন এদিনে বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অংশটি ছিল সেটি হল সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও আলোচনা।  বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি একাধিক জেলায় দীর্ঘকাল ধরে অবাধে অনুপ্রবেশ গরু পাচার এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ উঠে এসেছে সেইসব পরিস্থিতিকে সামনে রেখেই মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জি বলেছেন বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করা হবে যাতে দ্রুতভাবে কাজ চলে এবং সীমান্তে তারকাটা দেওয়া হয়।  আগামী ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত জমির হস্তান্তরের কাজগুলো শেষ করতে হবে। যাতে ভারতের সীমান্ত অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষা আরো শক্তিশালী হয়। বাংলা রাজনৈতিক স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া  এ প্রশাসনিক বৈঠকের বার্তার পর থেকেই বিরোধী পক্ষের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসছে। নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ এই বৈঠক নিয়ে সাধারণ মানুষ এবং রাজনীতি মহলে বিভিন্ন ভাবে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হচ্ছে। তবুও বাস্তবে এই পরিবর্তন করা অতটা সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে যে কাজগুলি করা খুবই কঠিন সেগুলি হল সরকারি ডাটাবেজ আপডেট, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, উপভোক্তাদের চিহ্নিতকর্‌ সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দাবি। সামাজিক প্রকল্প চালু রাখার জন্য DBT পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলার মানুষের জন্য স্বচ্ছতা বৃদ্ধি সীমান্ত নিরাপত্তার উপর জোরদার এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এই চারটি বিষয়কে উনি ভবিষ্যতের প্রশাসনিক মন্ডলের আসল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন।  এই বৈঠক থেকে আমরা এটাই জানতে পারি মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছে ও আশা হল দুর্নীতিমুক্ত সরকার দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং দুর্নীতি মুক্ত জনগণ।  এখন দেখার বিষয় হচ্ছে এটা যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং বাস্তব ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনাগুলো কতটা দ্রুত এবং কতটা বাস্তব হবে সফল ও কার্যকরী হচ্ছে। তবে এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে বাংলার অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে নতুন সরকার ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে বিরাট আলোড়ন ঘটিয়েছেন। Annapurna Vandar: সরকারি সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে আগামী জুন মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হয়ে যাবে। Annapurna Vandar Online Form: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অনলাইন ফর্মের জন্য আলাদা পোর্টাল চালু হবে সরকার পক্ষ থেকে। Annapurnavandar Offline Form: জানা যাচ্ছে পঞ্চায়েত এ পাওয়া যাবে অফলাইন ফর্ম। Annapurna Vandar Form pdf: সরকারি পোর্টাল থেকেই পাওয়া যাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পিডিএফ ফর্ম। Annapurna Vandar Apply Online Status: ফর্ম ফিলাপ চালু হলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের স্টেটাস চেক করতে পারবেন।